দক্ষিণ আমেরিকার আমাজন জঙ্গল কেন বিখ্যাত? | Amazing and Interesting Facts about Amazon Rainforest and Amazon River in Bengali
Amazing and Interesting Facts about Amazon Rainforest
প্রকৃতি যতটা সুন্দর ঠিক ততটাই ভয়ঙ্কর। বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর জায়গা, যেখানে টিকে থাকার জন্য লড়াই করতে হয় প্রতিনিয়ত, পরিস্থিতি যেখানে বেঁচে থাকার অনুপযোগী, পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর এবং ভয়ঙ্কর জায়গার নাম হলো আমাজন। আমাজন বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো জঙ্গল। আমাজনকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়। এর বিস্তার বিশ্বের প্রায় সব জঙ্গলের দ্বিগুন। যেখানে গোটা পৃথিবীর তিন ভাগের এক ভাগ সেখানে বসবাস করে এবং কত রকমের যে প্রাণী ও জীবজন্তু বসবাস করে তাদের সম্পকে আমরা জানিও না।
আমাজন নদীকে ঘিরে এই জঙ্গল প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি বৎসর আগে সৃষ্টি হয়েছে। প্রাচীন কাল থেকেই যাত্রীরা এই জঙ্গল ভ্ৰমণ করে মূলত সোনা, রূপা এবং বিভিন্ন খাজানার জন্য। মূলত পর্তুগীজ যাত্রীরা মনে করতো বিশাল এই অরণ্যে লুকিয়ে আছে এলডোরাডো নামক এক গুপ্ত শহর। যা পুরোপুরি সোনা দ্বারা নির্মিত। এই ভ্রান্ত ধারণাটি এসেছে গ্রিক পৌরাণিক গল্প থেকে। সেখানে বলা হয়েছে যে এলডোরাডো নামক সোনায় মোড়ানো শহরটি পাহারা দেয় নারী যোদ্দারা। সেই জন্যই এই জঙ্গলের নাম আমাজন রাখা হয়েছে।
আমাজন শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ। পর্তুগীজ, স্প্যানিশ এবং ফ্রান্স অভিযাত্রীরা প্রতিযোগিতায় নামে এই এলডোরাডো নামক গুপ্ত শহরটিকে খুঁজে বার করার জন্য। কিন্তু কেউই এই কাল্পনিক শহরটিকে খুঁজে বার করতে পারেনি।
এই বিশাল আকার জঙ্গলটি আয়তনে প্রায় ৫৫ লক্ষ বর্গকিমি। দক্ষিণ আমেরিকার ৯ টি দেশ জুড়ে আমাজন জঙ্গলটি রয়েছে। যার মধ্যে ৬০ শতাংশ রয়েছে ব্রাজিলে, ১৩ শতাংশ রয়েছে পেরুতে আর বাকি অংশ রয়েছে কলোম্বিয়া, ভেনুজুয়েলা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, গুয়ানা, সুরিনামা এবং ফ্রান্স গায়ানা। পৃথিবী জুড়ে যেই রেনফরেস্ট রয়েছে তার অর্ধেক এই আমাজন জঙ্গল।
নানারকম প্রজাতির বাসস্থান হিসাবে সম্মৃদ্ধ আমাজন, এই জঙ্গলে প্রায় ৩৯০ মিলিয়ন বৃক্ষ রয়েছে। যেগুলি প্রায় ১৬০০০ প্রজাতিতে বিভক্ত। আমাজন জঙ্গলের গুরুত্ব অপরিসীম। পৃথিবীর ২০ শতাংশ অক্সিজেন আসে আমাজন জঙ্গল থেকে। এছাড়া অনেক ঔষধ এর জন্য প্রয়োজনীয় গাছপালা এই আমাজন জঙ্গলে পাওয়া যায়। শুধু তাই নয় আমাজন পৃথিবীর প্রাকৃতিক সপ্তম আশ্চর্যের একটি।
এই জঙ্গলের নদী মানে, আমাজন নদীটি বেশিভাগ ছোট ছোট নদীর উৎস। এই নদীটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী। কোনো কোনো জায়গা এই নদীটির এতো চওড়া যে এপাশ থেকে ওপাশে দেখা যায় না। এছাড়া এই নদীতে প্রায় ৪৫ লক্ষ প্রজাতির পোকামাকড় রয়েছে। এছাড়াও ৪২৮ প্রজাতির উভচর, ৩৭৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪২৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে। এছাড়া আমাজন নদীতে ৩০০০ প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণী রয়েছে। বিশেষ করে লাল পিরানহা প্রচুর পরিমানে দেখা যায়। সেখানে ভয়ঙ্কর সাপ যেমন আনাকোন্ডা দেখা যায় । ওদের কোনো বিষ নেই। ওরা নিজের শরীর দিয়ে পেঁচিয়ে তারপর ভক্ষণ করে। আমাজন জঙ্গলে ৩০০ র বেশি উপজাতি বসবাস করে এবং তারা বেশিরভাগই ব্রাজিলিয়ান , তারা সবাই স্পেনিশ ও পর্তুগীজ ভাষায় কথা বলে। এদের মধ্যে অনেক যাযাবর লক্ষ্য করা যাই। ওদের সাথে সভ্য জগতের কোনো সংযোগ নেই। ওরা সভ্যতার কোনো ছোয়া পাইনি।
আমাজন নদীকে ঘিরে এই জঙ্গল প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি বৎসর আগে সৃষ্টি হয়েছে। প্রাচীন কাল থেকেই যাত্রীরা এই জঙ্গল ভ্ৰমণ করে মূলত সোনা, রূপা এবং বিভিন্ন খাজানার জন্য। মূলত পর্তুগীজ যাত্রীরা মনে করতো বিশাল এই অরণ্যে লুকিয়ে আছে এলডোরাডো নামক এক গুপ্ত শহর। যা পুরোপুরি সোনা দ্বারা নির্মিত। এই ভ্রান্ত ধারণাটি এসেছে গ্রিক পৌরাণিক গল্প থেকে। সেখানে বলা হয়েছে যে এলডোরাডো নামক সোনায় মোড়ানো শহরটি পাহারা দেয় নারী যোদ্দারা। সেই জন্যই এই জঙ্গলের নাম আমাজন রাখা হয়েছে।
আমাজন শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ। পর্তুগীজ, স্প্যানিশ এবং ফ্রান্স অভিযাত্রীরা প্রতিযোগিতায় নামে এই এলডোরাডো নামক গুপ্ত শহরটিকে খুঁজে বার করার জন্য। কিন্তু কেউই এই কাল্পনিক শহরটিকে খুঁজে বার করতে পারেনি।
এই বিশাল আকার জঙ্গলটি আয়তনে প্রায় ৫৫ লক্ষ বর্গকিমি। দক্ষিণ আমেরিকার ৯ টি দেশ জুড়ে আমাজন জঙ্গলটি রয়েছে। যার মধ্যে ৬০ শতাংশ রয়েছে ব্রাজিলে, ১৩ শতাংশ রয়েছে পেরুতে আর বাকি অংশ রয়েছে কলোম্বিয়া, ভেনুজুয়েলা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, গুয়ানা, সুরিনামা এবং ফ্রান্স গায়ানা। পৃথিবী জুড়ে যেই রেনফরেস্ট রয়েছে তার অর্ধেক এই আমাজন জঙ্গল।
নানারকম প্রজাতির বাসস্থান হিসাবে সম্মৃদ্ধ আমাজন, এই জঙ্গলে প্রায় ৩৯০ মিলিয়ন বৃক্ষ রয়েছে। যেগুলি প্রায় ১৬০০০ প্রজাতিতে বিভক্ত। আমাজন জঙ্গলের গুরুত্ব অপরিসীম। পৃথিবীর ২০ শতাংশ অক্সিজেন আসে আমাজন জঙ্গল থেকে। এছাড়া অনেক ঔষধ এর জন্য প্রয়োজনীয় গাছপালা এই আমাজন জঙ্গলে পাওয়া যায়। শুধু তাই নয় আমাজন পৃথিবীর প্রাকৃতিক সপ্তম আশ্চর্যের একটি।
এই জঙ্গলের নদী মানে, আমাজন নদীটি বেশিভাগ ছোট ছোট নদীর উৎস। এই নদীটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী। কোনো কোনো জায়গা এই নদীটির এতো চওড়া যে এপাশ থেকে ওপাশে দেখা যায় না। এছাড়া এই নদীতে প্রায় ৪৫ লক্ষ প্রজাতির পোকামাকড় রয়েছে। এছাড়াও ৪২৮ প্রজাতির উভচর, ৩৭৮ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪২৭ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে। এছাড়া আমাজন নদীতে ৩০০০ প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণী রয়েছে। বিশেষ করে লাল পিরানহা প্রচুর পরিমানে দেখা যায়। সেখানে ভয়ঙ্কর সাপ যেমন আনাকোন্ডা দেখা যায় । ওদের কোনো বিষ নেই। ওরা নিজের শরীর দিয়ে পেঁচিয়ে তারপর ভক্ষণ করে। আমাজন জঙ্গলে ৩০০ র বেশি উপজাতি বসবাস করে এবং তারা বেশিরভাগই ব্রাজিলিয়ান , তারা সবাই স্পেনিশ ও পর্তুগীজ ভাষায় কথা বলে। এদের মধ্যে অনেক যাযাবর লক্ষ্য করা যাই। ওদের সাথে সভ্য জগতের কোনো সংযোগ নেই। ওরা সভ্যতার কোনো ছোয়া পাইনি।
তো এই ছিল আমাজন জঙ্গল সম্পর্কে কিছু তথ্য।।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন
(
Atom
)
Featured Post
আমেরিকা কি একটি দেশ? নাকি একটি মহাদেশ? বিস্তারিত জানুন
আমেরিকা: দেশ, মহাদেশ নাকি উভয়ই? ভূমিকা আমেরিকা দেশ না মহাদেশ?—এই প্রশ্নটি ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশি সার্চ হওয়া ভূগোল-সম্পর্কিত প্রশ্নগুলোর এ...

কোন মন্তব্য নেই :
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন